আজকে আমরা পড়বো “সমস্ত জ্ঞান, সমস্ত সাহিত্যের উদ্দেশ্যে” সারাংশটি। সারাংশ পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। তাই সারাংশটি তোমাদের ভালোভাবে পড়তে হবে।
সমস্ত জ্ঞান, সমস্ত সাহিত্যের উদ্দেশ্যে
সমস্ত জ্ঞান, সমস্ত সাহিত্যের উদ্দেশ্যে মানুষের অন্তরস্থ বিবেককে জাগিয়ে তোলা- নির্ভীক, তেজস্বী ও সবল করে তোলা। যদি জ্ঞান, উপদেশ, পুস্তক এবং সাহিত্য মানুষের অন্তরকে জাগাতে না পারে, তাকে চিন্তাশীল করে তুলতে না পারে, তাকে আত্মবোধ না দিতে পারে, তবে বুঝতে হবে তার পাষাণ প্রাণে সমস্ত জ্ঞান ব্যর্থ হয়েছে। বিবেকের জাগরণের নামই আত্মবোধ। বিবেক অপেক্ষা আরও একটি মহৎ জিনিস আছে, তার নাম প্রজ্ঞা। বিবেক মানুষকে প্রতারণা করে, প্রজ্ঞা কোনো সময় মানুষকে প্রতারণা করে না। প্রজ্ঞা দিবালোকের মতো উজ্জ্বল, তার দৃষ্টির সম্মুখে কুয়াশা নেই, সন্দেহ নেই। প্রজ্ঞা ধ্রুব সত্যকে দর্শন করে। যিনি এই প্রজ্ঞার সন্ধান পেয়েছেন তিনি পরম চেতনা লাভ করেছেন, তিনি মানুষের পরম শ্রদ্ধার্হ।
সারাংশ: জ্ঞান ও সাহিত্যের উদ্দেশ্য মানুষের বিবেককে জাগ্রত করা, তাকে সাহসী, তেজস্বী ও সবল করে তোলা। প্রজ্ঞা বিবেক অপেক্ষাও মহৎ। প্রজ্ঞার মাধ্যমেই মানুষ প্রকৃত সত্যকে উপলব্ধি করতে পারে। আর প্রজ্ঞাবান ব্যক্তি সকলের শ্রদ্ধা লাভ করেন।
সারাংশ বিকল্প ১: সমস্ত জ্ঞান ও সাহিত্যের উদ্দেশ্য মানুষের বিবেক অর্থাৎ, আত্মবােধের জাগরণ ঘটানাে। বিবেকের চেয়েও মহৎ জিনিস প্রজ্ঞা। বিবেক মানুষকে প্রতারণা করে কিন্তু প্রজ্ঞা তা করে না। প্রজ্ঞাবান ব্যক্তি সকলের কাছেই শ্রদ্ধার পাত্র।
সারাংশ বিকল্প ২: বিবেকের জাগরণই শিক্ষার উদ্দেশ্য। যদি আত্মার জাগরণ না ঘটে তবে বুঝতে হবে যে, সে শিক্ষা ব্যর্থ। শিক্ষা বিবেককে জাগ্রত করে মানুষকে প্রজ্ঞাবান করে তােলে।
সারাংশ বিকল্প ৩: আধুনিক বিশ্ব জ্ঞান-বিজ্ঞানে ক্রমবিকাশমান। এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে না চললে যথার্থ জাতীয় অগ্রগতি সম্ভব নয়। আমাদের প্রচলিত চাষাবাদ পদ্ধতিতেও আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রয়োগ ঘটাতে হবে। কৃষিক্ষেত্রে কার্যকর অগ্রগতি এলেই আমাদের সমৃদ্ধি নিশ্চিত হবে।
আশা করি তোমাদের সারাংশটি বোধগম্য হয়েছে। যদি কোথাও বুঝতে সমস্যা হয় তাহলে এই পোস্ট এর নিচে কমেন্ট করো।