আজকে আমরা পড়বো “মানুষ সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ প্রাণী” সারাংশটি। সারাংশ পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। তাই সারাংশটি তোমাদের ভালোভাবে পড়তে হবে।
মানুষ সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ প্রাণী
মানুষ সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ প্রাণী। জগতের অন্যান্য প্রাণীর সহিত মানুষের পার্থক্যের কারণ- মানুষ বিবেক ও বুদ্ধির অধিকারী। এই বিবেক বুদ্ধি ও জ্ঞান নাই বলিয়া আর সকল প্রাণী মানুষ অপেক্ষা নিকৃষ্ট। জ্ঞান ও মনুষ্যত্বের উৎকর্ষ সাধন করিয়া মানুষ জগতের বুকে অক্ষয় কীর্তি স্থাপন করিয়াছে; জগতের কল্যাণ সাধন করিতেছে। পশু বল ও অর্থবল মানুষকে বড় মহৎ করিতে পারেনা। মানুষ বড় হয় জ্ঞান ও মনুষ্যত্বের বিকাশে। জ্ঞান ও মনুষ্যত্বের প্রকৃত বিকাশে জাতির জীবন উন্নত হয়। প্রকৃত মানুষই জাতীয় জীবনের প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়ন আনয়নে সক্ষম।
সারাংশ: মানুষের বিবেক বুদ্ধি ও জ্ঞান রয়েছে যা অন্যান্য পশুপাখির নেই। জ্ঞানের শক্তিতেই মানুষ জগতের অক্ষয় কীর্তি অধিকারী হয়েছে। পশু বল বা অর্থবল মানুষের মনুষ্যত্বের বিকাশে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। জ্ঞান ও মনুষ্যত্বের অনুশীলন করার মাধ্যমে কল্যাণকামী মানুষ জাতীয় কল্যাণ করতে সক্ষম হয়।
সারাংশ বিকল্প ১: বিবেক ও বুদ্ধির কারণে মানুষ সকল মানুষ প্রাণী অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ । বিবেক বুদ্ধির মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান ও মনুষ্যত্ব দ্বারা মানুষ পৃথিবীকে করেছে সুন্দর ও কল্যাণময়। জ্ঞান ও মনুষ্যত্বর সঠিক বিকাশের মানুষ প্রকৃত মানুষে পরিণত হয় এবং জাতীয় জীবনে প্রতিষ্ঠা লাভ ও উন্নয়ন কার্যকর ভূমিকা পালনে সক্ষম হয়।
সারাংশ বিকল্প ২: জ্ঞান, বুদ্ধি, বিবেক ও মনুষ্যত্বের বলে মানুষ সৃষ্টির সেরা। পেশিশক্তি ও বিত্তের দাপট মানুষকে বড় করে তোলে না। জ্ঞান ও মনুষ্যত্বের পরিপূর্ণ বিকাশের মধ্যেই জীবনের সার্থকতা নিহিত। এ ধরনের মানুষের অবদানেই অর্জিত হয় জাতির উন্নয়ন ও অগ্রগতি।
সারাংশ বিকল্প ৩: আল্লাহ মানুষকে সর্বশ্রেষ্ঠ মাখলুকাত হিসেবে সৃষ্টি করেছেন। বুদ্ধি ও প্রজ্ঞার দ্বারা মানুষকে অন্যান্য প্রাণী থেকে পার্থক্য করা যায়। জ্ঞান, মনুষত্ব, চারিত্রিক গুণাবলি দ্বারা মানুষ অমরত্ব লাভ করে। অর্থ, দাম্ভিকতা মানুষকে হীন করে। জাতি তথা দেশের উন্নয়নে, সভ্যতার বিকাশে জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও মানবিক গুণাবলির বিকল্প নেই।
আশা করি তোমাদের সারাংশটি বোধগম্য হয়েছে। যদি কোথাও বুঝতে সমস্যা হয় তাহলে এই পোস্ট এর নিচে কমেন্ট করো।