আজকে আমরা পড়বো “এটা স্মরণ রাখা কর্তব্য যে, পৃথিবীতে যেখানে তুমি থামবে” সারাংশটি। সারাংশ পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। তাই সারাংশটি তোমাদের ভালোভাবে পড়তে হবে।
এটা স্মরণ রাখা কর্তব্য যে, পৃথিবীতে যেখানে তুমি থামবে
এটা স্মরণ রাখা কর্তব্য যে , পৃথিবীতে যেখানে এসে তুমি থামবে , সেখান থেকেই তােমার ধ্বংস আরম্ভ হবে । কারণ তুমিই কেবল একলা থামবে , আর কেউ থামবে না । জগৎ - প্রবাহের সঙ্গে সমগতিতে যদি না চলতে পার তাে প্রবাহের সমস্ত সচল বেগ তােমার উপর এসে আঘাত করবে একেবারে বিদীর্ণ , বিপর্যস্ত হবে কিংবা অল্পে অল্পে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে কাল স্রোতের তলদেশে অন্তর্হিত হয়ে যাবে । হয় অবিরাম চল এবং জীবনচর্চা কর , নয় বিশ্রাম কর এবং বিলুপ্ত হও , পৃথিবীর নিয়ম এই রকমই ।
সারাংশ: গতিশীল ও কর্মময় জীবনে সর্বদা মানুষকে সমানতালে সামনে এগিয়ে যেতে হয়। অন্যথায়, গতির আঘাতে জীবন স্থবির, ক্ষয়প্রাপ্ত, বিলুপ্ত ও বিপর্যপ্ত হয়ে সাগরের অতল গহ্বরে হারিয়ে যায়। তাই কর্মময় জীবন চর্চায় গতিশীলতা পৃথিবীর স্বাভাবিক নিয়ম।
সারাংশ বিকল্প ১: জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত অবিরাম চলাই হচ্ছে মানবজীবনের ধর্ম। জগৎ প্রবাহে স্থবিরতা মূলত মৃত্যুর নামান্তর গতিময়তাই জীবনের ধর্ম।
সারাংশ বিকল্প ২: পৃথিবীতে কারও থেমে থাকার সুযোগ নেই, কারণ পৃথিবীর সবকিছুই চলমান। গতিময় এ বিশ্বে থেমে থাকা মৃত্যুরই নামান্তর। কাজেই বাঁচতে হলে প্রত্যেককে বিশ্বের প্রবহমানতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে অথবা মৃত্যুকে বরণ করতে
সারাংশ বিকল্প ৩: পৃথিবীতে কারও থেমে থাকার সুযােগ নেই , কারণ পৃথিবীর সবকিছুই চলমান । চলমান এ বিশ্বে থেমে থাকা মৃত্যুরই নামান্তর । কাজেই বাঁচতে হলে প্রত্যেককে বিশ্বের চলমানতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে অথবা মৃত্যুকে বরণ করতে হবে।
আশা করি তোমাদের সারাংশটি বোধগম্য হয়েছে। যদি কোথাও বুঝতে সমস্যা হয় তাহলে এই পোস্ট এর নিচে কমেন্ট করো।
