আজকে আমরা পড়বো “শ্রমকে শ্রদ্ধার সঙ্গে গ্রহণ করো” সারাংশটি। সারাংশ পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। তাই সারাংশটি তোমাদের ভালোভাবে পড়তে হবে।
শ্রমকে শ্রদ্ধার সঙ্গে গ্রহণ করো
শ্রমকে শ্রদ্ধার সঙ্গে গ্রহণ করো। কালি-ধুলার মাঝে রৌদ্র-বৃষ্টিতে কাজের ডাকে নেমে যাও। বাবু হয়ে ছায়ায় পাখার তলে থাকবার দরকার নেই। এ হচ্ছে মৃত্যুর আয়োজন। কাজের ভিতর কুবুদ্ধি, কুমতলব মন-চিত্তে বাসা বাঁধতে পারে না। কাজে শরীরে সামর্থ্য জন্মে ; স্বাস্থ্য, শক্তি, আনন্দ, স্ফুর্তি সকলই লাভ হয়। পরিশ্রমের পর যে অবকাশ লাভ হয়, তা পরম আনন্দের অবকাশ। তখন কৃত্রিম আয়োজন করে আনন্দ করবার কোনো প্রয়োজন হয় না। শুধু চিন্তার দ্বারা জগতের হিত সাধন হয় না। মানবসমাজে মানুষের সঙ্গে কাজে, রাস্তায়, কারখানায় মানুষের সঙ্গে ব্যবহারে মানুষ নিজেকে পূর্ণ করে।
সারাংশ: আলস্য মানবজীবনের মৃত্যু ডেকে আনে আর কাজ জীবনকে সুন্দর করে তােলে। শুধু চিন্তা দিয়ে জগতের হিত সাধন হয় না বরং চিন্তার সঙ্গে যখন কর্ম যােগ হয় তখনই মানব কল্যাণ সাধিত হয়, সুন্দর হয় বিশ্বজগৎ।
সারাংশ বিকল্প ১: কর্মের মাঝেই জীবনের সার্থকতা নিহিত। কাজে আছে কল্যাণে প্রচেষ্ঠা, কাজে আছে আনন্দ এবং জীবনের সাফল্য । চিন্তার নয়, কাজের মাধ্যমেই মানব কল্যাণেই সুযোগ আসে। কাজের সময় বিচিত্র মানুষের সান্নিধ্য জীবনে পরিপূর্ণতা এনে দেয়।
সারাংশ বিকল্প ২: মানুষের সামগ্রিক উন্নতির মূলে রয়েছে শ্রম। শ্রমের পর অবকাশ যাপনে পাওয়া যায় নির্মল আনন্দ। শ্রম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পরিপূর্ণ মানুষ হওয়া যায় না। চিন্তা ও পুস্তক জ্ঞানের যে দ্বার উন্মোচন করে, তা পূর্ণতা পায়। কায়িক শ্রমের মাধ্যমে। তাই শ্রমকে শ্রদ্ধাভরে গ্রহণ করা সকলের একান্ত কতব্য।
সারাংশ বিকল্প ৩: শ্রম মানুষের সামগ্রিক উন্নতি বয়ে আনে। শ্রম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পরিপূর্ণ মানুষ হওয়া যায় না। চিন্তা ও বই জ্ঞানের যে দ্বার উন্মােচন করে, তা পূর্ণতা পায় কায়িক শ্রমে।
সারাংশ বিকল্প ৪: সৌভাগ্যের মূলে রয়েছে কঠোর শ্রম। স্বাস্থ্য, শক্তি, আনন্দ-এ সবের মূলেই আছে শ্রম। পাশাপাশি শ্রমবিমুখ হলে জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। কেবল চিন্তা দ্বারা জগতের কল্যাণ সাধিত হয় না। চিন্তার সঙ্গে কাজের তথা পরিশ্রমের প্রয়োজন। তাহলে জীবনে আসবে পরিপূর্ণতা, অনিবার্য হয়ে ধরা দেবে সাফল্য।
আশা করি তোমাদের সারাংশটি বোধগম্য হয়েছে। যদি কোথাও বুঝতে সমস্যা হয় তাহলে এই পোস্ট এর নিচে কমেন্ট করো।